English

আমাদের অঙ্গীকার

আমাদের অঙ্গীকার

জ্বালানি সঙ্কট নিরসনে

  • উত্তরাঞ্চলের ফুলবাড়ী বেসিনে আবিষ্কৃত কয়লা উপযুক্ত ও নিরাপদ পদ্ধতিতে উৎপাদন, যাতে দেশের প্রয়োজনে সম্পদের সর্বোচ্চ আহরণ,ব্যবহার ও সুফল নিশ্চিত হয়
  • প্রকল্প মেয়াদ ৩৫ বছরের অধিকাংশ সময় বার্ষিক ১৫ মিলিয়ন (দেড় কোটি) মেট্রিক টন উৎপাদন টার্গেট অর্জন এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সুলভমূল্যে মানসম্মত কয়লার নির্ভরযোগ্য সরবাহের নিশ্চয়তা
  • সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলে ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন ও উৎপাদিত বিদ্যুৎ উত্তরাঞ্চলসহ সারাদেশে সরবরাহ এবং অন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি চাহিদায় কয়লার নির্ভরযোগ্য সরবরাহ
  • "কোল ব্রিকেট" শিল্পের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে বিকল্প উৎস হিসেবে গৃহস্থালি, বাণিজ্যিক ও মাঝারি শিল্পের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করে গ্যাস ও জ্বালানি কাঠের ওপর নির্ভরতা হ্রাস এবং গ্যাস সরবরাহহীন প্রত্যন্ত জনপদে সহজলভ্য জ্বালানির ব্যবস্থা
  • ইটভাটা সহ অন্যান্য শিল্পে মানসম্মত দেশীয় কয়লা ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি

জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধিতে

  • ফুলবাড়ী প্রকল্পের মাধ্যমে জিডিপিতে বার্ষিক এক শতাংশ সংযোজন
  • প্রকল্প থেকে সরকারের প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার (৪৯ হাজার কোটি টাকা) আয় যা প্রকল্প আয়ের প্রায় ৫০ শতাংশ
  • কয়লা চাহিদা পূরণে ফুলবাড়ী কয়লা ব্যবহারের মাধ্যমে বৈদেশিক মূদ্রা রিজার্ভের ওপর ইতিবাচক প্রভাব
  • বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, রাস্তাঘাট, রেলপথ, বন্দর ও শহর উন্নয়নে সংশিষ্ট অবকাঠামোয় বিনিয়োগের ফলে দেশের উত্তর পশ্চিম ও পশ্চিম অঞ্চলে ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি, যা টেকসই উন্নয়নের অনুঘটক
  • প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ১২ হাজার স্থানীয় এবং বিভিন্ন সার্ভিস সেক্টরে সারাদেশে ৫ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারে অন্যান্য খাতে ইতিবাচক প্রভাব
  • নুড়িপাথর, কাঁচবালি, চিনামাটি ভিত্তিক সহযোগী শিল্প স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি-যা অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সহায়ক

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মান রক্ষায়

  • পরিবেশ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণে আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম পন্থা এবং দেশের বিদ্যমান পরিবেশ ও সামাজিক প্রবিধান অনুসরণ
  • প্রকল্পটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গ্রহণযোগ্য করার জন্য অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান গৃহীত "ইকুয়েটর নীতিমালা" এবং এডিবি "রক্ষাকবচ নীতি" (সেফগার্ড পলিসি) অনুসরণ
  • সামাজিক ও পরিবেশগত দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে বহিঃপরিবীক্ষণ ব্যবস্থা

টেকসই পরিবেশ ও দায়িত্বশীল সামাজিক ব্যবস্থাপনায়

  • পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পানি , মাটি, বায়ূ, শব্দ, বর্জ্য, জীববৈচিত্র্য, পুনর্বাসন ইত্যাদির টেকসই ব্যবস্থাপনার বিস্তারিত পরিকল্পনা
  • ভূগর্ভ থেকে উত্তোলিত পানি দিয়ে ফুলবাড়ী শহরসহ প্রকল্প সংলগ্ন এলাকার পানীয় জলের চাহিদা পূরণ, শিল্প ও গৃহস্থালি ব্যবহার ও সেচের জন্য সরবরাহ
  • পানি ব্যবস্থাপনার আওতায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখতে উত্তোলিত পানির একাংশ "ইনজেকশন"
  • নদী ও জলাশয়ের পানির প্রবাহ ঠিক রাখতে উত্তোলিত ও পরিশোধিত পানি নদী-জলাশয়ে প্রবাহিত করা এবং উপযুক্ত পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এলাকার শুষ্কতার আশঙ্কা নিরসন 
  • প্রকল্পে ব্যবহৃত জমি পরিবেশসম্মত পুনর্ভরণ ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে কৃষিসহ অন্যান্য ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা
  • প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মতামত গ্রহণ ও আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রাখা

পুনর্বাসন ব্যবস্থাপনায়

  • যথাযথ পুনর্বাসন ব্যবস্থা ব্যতিরেকে কাউকে তার বিদ্যমান অবস্থান থেকে না সরানো এবং জমি, গাছপালা, ফসল, বাড়িঘর ইত্যাদিসহ আনুষঙ্গিক সকল সম্পত্তির ন্যায্য ও বিদ্যমান পূর্ণ বাজারমূল্য প্রদান
  • পুনর্বাসন কর্মসূচীর আওতায় নগদ অর্থ, আবাসন ও ভূমি প্রদান, বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা, পূর্ব জীবিকা বা তার সমমানের আয়ে ফিরে আসতে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখা
  • প্রকল্প বাস্তবায়নে ২৩০০ এর মত আদিবাসীসহ প্রায় ৪০ হাজার লোককে পর্যায়ক্রমে মানসম্মত পুনঃস্থাপন ও পুনর্বাসন সহযোগিতা

এশিয়া এনার্জি ও ফুলবাড়ী কয়লা প্রকল্প

এশিয়া এনার্জি করপোরেশন (বাংলাদেশ) প্রপ্রাইটরি লিঃ ("এশিয়া এনার্জি") লন্ডন ভিত্তিক জিসিএম রিসোর্সেস পিএলসি’র (জিসিএম) পূর্ণ মালিকানাধীন বাংলাদেশ অংশ যারা বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী কয়লা ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের উন্মুক্ত খনন পদ্ধতির একটি কয়লা খনি উন্নয়ন ও পরিচালনার জন্য কাজ করছে।

এশিয়া এনার্জি সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ও সামাজিক মান বজায় রেখে খনি উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করতে আগ্রহী। এ লক্ষ্যে একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও খনি উন্নয়ন পরিকল্পনা ২ অক্টোবর ২০০৫ তারিখে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে পেশ করা হয়। একই সঙ্গে ৬ অক্টোবর ২০০৫ তারিখে ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাবও পেশ করা হয়। পূর্ণ উৎপাদন ক্ষমতায় ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে বছরে ১৫ মিলিয়ন টন উন্নতমানের বিটুমিনাস জাতীয় কয়লা পাওয়া যাবে। উৎপাদিত এ কয়লা সুলভ মূল্যে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাবে। ফুলবাড়ীর কয়লা ব্যবহার করে প্রায় ৪০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব যা দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। এশিয়া এনার্জি নিজে তার অংশীদারদের সহযোগিতায় ১০০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগ্রহী।

এশিয়া এনার্জি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের কাছে তার দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে খোলাখুলিভাবে এবং আন্তর্জাতিক রীতিনীতির আওতায় কাজ করছে এবং ফুলবাড়ী কয়লা প্রকল্পে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ সংস্থানের অঙ্গীকার অব্যাহত রেখেছে। স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীদারদের সঙ্গেই এশিয়া এনার্জি কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে। কোম্পানী পরিবেশ, সামাজিক ন্যায়বিচার, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্যাদির সম্পূর্ণ প্রকাশেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এশিয়া এনার্জি ২০০৬ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ এ তালিকাভুক্তির জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে। কোম্পানির এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশী বিনিয়োগকারীদের এই বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পে অংশীদার হবার সুযোগ প্রদানে এশিয়া এনার্জি’র অঙ্গীকারেরই অংশ।